1. bdfocas24@gmail.com : newsroom :
  2. arifahok27@gmail.com : Alifa hok : Alifa hok
  3. newsgopalpur@gmail.com : Rokon zzaman : Rokon zzaman
  4. akmpalash75@gmail.com : Shamsuzzoha Palash : Shamsuzzoha Palash
মুক্তি যুদ্ধের ছবি বেশি বেশি নির্মাণ হওয়া দরকার : শেখ হাসিনা - www.bdfocas24.com
বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০৫:১৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো সারাদেশে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম মহাসড়কের অন্তত ১৫ কিলোমিটার তীব্র যানজট টিকেটিং এজেন্সি টুয়েন্টিফোর টিকেটি ডটকমের পরিচালক গ্রেপ্তার মালিকানা নিলেও, নগদের বড় অংকের ঋণের দায়ভার নেবে না ডাক বিভাগ চুয়াডাঙ্গায় একদিনে ছয় ওসির রদবদল পলাশবাড়ীর কিশোরগাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রিন্টুসহ ৬ জুয়াড়িকে আটক করেছে পুলিশ পলাশবাড়ীতে সড়কের পাশে ড্রেন নির্মাণে বৈষম্যের স্বীকার হয়ে অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ী নিঃস্ব জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর সাথে সৌজন্যে সাক্ষাৎ করলেন মেহেরপুর সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোমিনুল ইসলাম পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের নির্দেশে অচল বৃদ্ধের বয়স্ক ভাতার টাকা উদ্ধার পুলিশ সুপারের মধ্যস্থতায় অবুঝ শিশুকন্যা নুসরাত ফিরে পেলো তার বাবা-মাকে

মুক্তি যুদ্ধের ছবি বেশি বেশি নির্মাণ হওয়া দরকার : শেখ হাসিনা

এসএম শাফায়েত, ঢাকা:
  • আপডেট টাইম: রবিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২১
  • ৯৫ বার দেখা

স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যতিক্রম আয়োজনের মধ্যদিয়ে শেষ হলো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৯ প্রদান অনুষ্ঠান। করোনা ভাইরাস মহামারীর প্রার্দুভাবে গতানুগতিকের চাইতে কিছুটা ভিন্ন আঙ্গিকে সাজানো হয়েছিল এবারের অনুষ্ঠানমালা। আগের আসরগুলোয় প্রথম পর্বে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করতেন বিজয়ীরা। এবার তিনি তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের হাত দিয়ে ভার্চুয়ালি পুরস্কার প্রদান করেন। সম্মেলন কেন্দ্র ও গণভবন তথা দুই প্রান্ত থেকে অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথিসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা।এ উপলক্ষে রোববার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র সেজেছিল নতুন রূপে। ভেতরে ঢুকতেই চোখে পড়ে সিনেমার নানান সময়ের রকমারি পোস্টার, ছোট ছোট ব্যানার। নজর কাড়ে ৬০ এর দশক থেকে শুরু করে হালের সিনেমার পোস্টারও। চলচ্চিত্রের সবচেয়ে সম্মানজনক এই আসরকে কেন্দ্র করেই এমন করে সেজেছিল এই সম্মেলন কেন্দ্র। তবে এবার তারকাদের উপস্থিতি চোখে পড়েনি। দেখা মেলেনি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির তেমন কোন নেতৃবৃন্দের।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুায়ালি উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যদিও বিগত বছরগুলোতে তার হাত থেকেই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত শিল্পী ও কলাকুশলীরা পদক গ্রহণ করেন। এবার করোনা পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতি খানিকটা মলিন করেছে পদক প্রাপ্তদের মন। প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার নিতে পারলে আরও ভালো লাগত বলে মন্তব্য করেন তারা।

গণভবন প্রান্ত থেকে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমারো একটা দুঃখ থেকে গেল, করোনার জন্য সরাসরি এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারলাম না। তারপরও যারা পুরস্কার পেলেন তাদেরকে অভিনন্দন। এ দেশের চলচ্চিত্রের জন্য আমরা অনেক কাজ করেছি। আমাদের পরিবারের সদস্যরা শিল্প-সাহিত্য ভালোবাসেন। শেখ কামালের কথা তো সবার জানা। শেখ কামাল খেলার বাইরে নাটকের সঙ্গে জড়িত ছিল। এই শিল্পের মানুষদের কাছ থেকে অনেক আগে থেকেই দেখেছি। তাই তাদের জন্য ভালো কিছু করার ইচ্ছে অনেক দিনের, সেভাবেই কাজ করছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্বের ছবি বেশি বেশি নির্মাণ হওয়া দরকার। তাহলে নতুন প্রজন্ম অনেক কিছু জানতে পারবে। একটি সিনেমা, নাটক, গান বা কবিতার মধ্যে দিয়ে অনেক কিছু বোঝানো যায়। গভীরে প্রবেশ করা যায়। চলচ্চিত্র শিল্প ধ্বংস হয়ে যাক তা আমরা চাই না। আমরা চাই, আমাদের সিনেমা আগের সুনাম ফিরিয়ে আনুক। শিশুদের জন্য সিনেমা নির্মাণ হওয়ার প্রয়োজন।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘চলচ্চিত্রে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে। আমাদের সিনেমা যেন দেশের বাইরে যেতে পারে। উপজেলা পর্যায়ে সিনেমা হল নির্মাণে সরকার এক হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করছে।’

শিশুদের জন্য শিক্ষণীয় চলচ্চিত্র নির্মাণের আহŸান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের শিশুদের জন্য সিনেমা তৈরি করা একান্তভাবে প্রয়োজন। এর মধ্যদিয়ে একটা শিশু জীবনকে দেখতে পারবে, বড় হতে পারবে। শিশুদের জন্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করা এবং তার মধ্যদিয়ে তাদের শিক্ষণীয় বিষয়গুলো প্রতিফলিত করা, এটাও কিন্তু করতে হবে। অনেক দায়িত্ব আপনাদের।’

এরআগে সকাল ১০টায় সম্মেলন কেন্দ্রে আসন গ্রহণ করেন অতিথিরা। সাড়ে ১০টায় গণভবন প্রান্ত থেকে যুক্ত হন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানের প্রথম অংশে নুরুল হাসনাত জিলান ও ফারজানা বাবলীর সঞ্চালনায় সম্মেলন কেন্দ্র হতে স্বাগত বক্তব্য দেন তথ্য সচিব খাজা মিয়া। সভাপতির বক্তব্য রাখেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘চলচ্চিত্রের স্বর্ণালী দিন ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় এক হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করা হচ্ছে। এ তহবিল থেকে স্বল্প সুদে ঋণ নিয়ে যে সব সিনেমা হল বন্ধ হয়ে গেছে সেগুলো চালু করা যাবে।’

এরপর ঘোষণা করা হয় ২০১৯ সালের আজীবন সম্মাননা ও পুরস্কার প্রাপ্তদের নাম। পর্যায়ক্রমে তাদের হাতে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান করেন তথ্য মন্ত্রী । আজীবন সম্মাননা ও পুরস্কার প্রাপ্তদের মধ্য থেকে আবেগঘন অনুভূতি প্রকাশ করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা। বক্তব্যের শেষে তিনি আজীবন সম্মাননা প্রাপ্ত চলচ্চিত্র শিল্পীদের ভিআইপি ঘোষণা ও রেশন সুবিধার প্রস্তাব করেন।জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান শেষে প্রতিবছরই অনুষ্ঠিত হয় জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। করোনার আবহে অনুষ্ঠানের ধরনে পরিবর্তন আনা হলেও ছিল জমকালো সাংস্কৃতিক আয়োজন। আনিসুর রহমান মিলন ও আশনা হাবিব ভাবনার প্রানবন্ত সঞ্চালনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি সাজানো হয় নাচ ও গান দিয়ে। সাংস্কৃতিক আয়োজনে সিনেমার গানে মঞ্চ মাতান পাঁচ তারকা জুটি। জুটি বেঁধে মঞ্চে আসেন ফেরদৌস আহমেদ ও অপু বিশ্বাস, সাইমন সাদিক ও মাহিয়া মাহি এবং এককভাবে নুসরাত ফারিয়া। তারা একাধিক গানে নাচ পরিবেশন করেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরু ও হয় সাদিয়া ইসলাম মৌ ও ওয়ার্দা রিহাবের নৃত্য পরিবেশনায়। গান পরিবেশন করেন লিজা, ঐশীসহ আরও তিন শিল্পী।

গণভবন প্রান্ত থেকে ভার্চুায়ালি পুরস্কার প্রদান থেকে শুরু করে পুরো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পুরস্কার পেলেন যারা-
শ্রেষ্ঠ পুরস্কার পেয়েছেন মেকআপ ম্যান মো. রাজু। পোশাক ও সাজসজ্জায় খন্দকার সাজিয়া আফরিন, শব্দগ্রাহক রিপন নাথ, চিত্রগ্রাহক সুমন কুমার নাথ সরকার, যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন রহমত উল্লাহ বাসু ও ফরিদ আহমেদ, সম্পাদক জুনায়েদ আহমেদ হালিম, সংলাপ রচয়িতা জাকির হোসেন রাজু, চিত্রনাট্য মাহবুবুর রহমান, কাহিনীকার মাসুদ পথিক। যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ গীতিকার পুরস্কার পেয়েছেন কবি নির্মলেন্দু গুণ ও কবি কামাল চৌধুরী, যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ সুরকারের পুরস্কার পেয়েছেন প্লাবন কোরেশী ও তানভীর তারেক,

শ্রেষ্ট গায়িকা মমতাজ বেগম ও ফাতেমা তুজ জোহরা ঐশী, শ্রেষ্ঠ গায়ক মৃণাল কান্তি দাশ, সংগীত পরিচালক মুস্তাফিজুর রহমান ইমন, নৃত্য পরিচালক হাবিবুর রহমান, শ্রেষ্ঠ শিশু শিল্পী নাইমুর রহমান আপন ও আফরিন আক্তার, খল চরিত্রে অভিনেতা জাহিদ হাসান, পার্শ্ব চরিত্রে অভিনেত্রী নার্গিস আক্তার, পার্শ্ব চরিত্রে অভিনেতা ফজলুর রহমান বাবু, নারী ও জীবনের জন্য পুরস্কার গ্রহণ করেন বাংলাদেশ টেলিভিশনের নিবাহী পরিচালক। ‘যা ছিল অন্ধকারে’ প্রামাণ্য চিত্রের জন্য পুরস্কার গ্রহণ করেন বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক এসএম হারন অর রশীদ ও প্রযোজক আওয়াল চৌধুরী, শ্রেষ্ঠ পরিচালক তানিম রহমান অংশু, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ন ডরাই-এর জন্য প্রযোজক মাহবুবুর রহমান ও ফাগুন হাওয়ার প্রযোজক ফরিদুর রেজা সাগর।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।

সাইট ডিজাইন এস.এম.সাগর-01867-010788