1. bdfocas24@gmail.com : admin :
  2. newsgopalpur@gmail.com : Rokon zzaman : Rokon zzaman
  3. shafayet.news247@gmail.com : Safayet Ullah : Safayet Ullah
  4. akmpalash75@gmail.com : Shamsuzzoha Palash : Shamsuzzoha Palash
মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন

ওয়াসা দক্ষিণ এশিয়ার পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশনকারী একটি সেরা সংস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:
  • আপডেট টাইম: সোমবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২১
  • ৩৬ বার দেখা

ওয়াসা দক্ষিণ এশিয়ার পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশনকারী একটি সেরা সংস্থা বলে দাবি করেছেন ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান।

সোমবার দুপুরে কারওয়ান বাজারের ওয়াসা ভবনে আয়োজিত বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের দায়িত্ব ঢাকা ওয়াসার থেকে দুই সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

তাকসিম বলেন, ‘ঢাকা ওয়াসা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশনকারী একটি সেরা সংস্থা। এই কাজে সংস্থাটি বিশ্বের জন্য রোল মডেল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পানি সরবরাহ সংস্থা গবেষণার জন্য ঢাকা ওয়াসায় আসছে।‘
১৯৮৮ সালেরভ একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ঢাকা ওয়াসা ঢাকার পানি নিষ্কাশনের দায়িত্ব পায় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে রাজধানী ঢাকার বৃষ্টির পানি অপসারণের দায়িত্ব ঢাকা ওয়াসাকে দেওয়া হয়েছে। বৃষ্টির পানি অপসারণের দায়িত্ব ঢাকা ওয়াসার ছিল না। দেশের অন্যান্য শহরেও এই দায়িত্ব ওয়াসার কাছে নেই। সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনই দায়িত্বটি পালন করছে। কিন্তু ঢাকায় শুধু ব্যতিক্রম।‘

ঢাকার পানি নিষ্কাশনের ইতিহাস তুলে ধরে ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ১৯৮৮ সালের ৬ ডিসেম্বর একটি প্রজ্ঞাপণ জারির মাধ্যমে সরকার বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের দায়িত্ব জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে সিটি করপোরেশনের পরিবর্তে ঢাকা ওয়াসার উপর ন্যস্ত করে। অধ্যাদেশ জারির পর থেকে ঢাকা ওয়াসাসহ সিটি কপোরেশন, পানি উন্নয়ণ বোর্ডে এবং রাজউকসহ মোট সাতটি সংস্থার মাধ্যমে ঢাকা শহরের বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের কাজ পরিচালনা করে আসছিল। ২০০৯ সালে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী ঢাকা শহরের পানি ব্যবস্থাপনার আমূল পরিবর্তন আনা প্রয়োজন বলে মত প্রকাশ করেন। ২০০৯ সালে ঢাকা ওয়াসা অনুধাবন করে যে, ১৯৮৮ সালে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন সংক্রান্ত জারিকৃত অধ্যাদেশটি ঢাকা ওয়াসার কাজের সঙ্গে এবং ঢাকা ওয়াসা এ্যাক্ট-১৯৯৬ এর সাথে সাংঘর্ষিক। এর প্রেক্ষাপটে ২০১২ সালে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে ঢাকা ওয়াসার পক্ষ থেকে পয়ঃনিষ্কাশনের কাজটা সিটি করপোরেশনের নিকট হস্তান্তর করার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরাধে জানানো হয়।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ঢাকা ওয়াসার অনুরাধের উপর ভিত্তি করে কারিগরি কমিটিসহ বেশ কয়েকটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করে জানিয়ে তিনি বলেন, বিবিধ কারণে ওই সময়ে কোন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি এবং তা আলোর মুখ দেখেনি। বর্তমান সরকার তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় তাজুল ইসলাম বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের দায়িত্ব সাত হাতে না করে একহাতে রাখার বিষয়ে নীতিগতভাবে একমত হন এবং ঢাকা ওয়াসা থেকে দুই সিটি করপোরেশনের নিকট বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের দায়িত্ব হস্তান্তর করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেন। ২০১৯ সালে মন্ত্রী স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকেই বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের দায়িত্ব ঢাকা ওয়াসা থেকে দুই সিটি করপোরেশনের নিকট হস্তান্তর করার বিষয়ে নানা বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহন করেন।

তাকসীম এ খান বলেন, ১৯৮৮ সালে একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর থেকে এই দায়িত্ব নিয়ে ঢাকা ওয়াসাকে দেওয়া হয়ে। ওই প্রজ্ঞাপনেই বলা আছে দায়িত্বটি সিটি করপোরেশনের কাছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল। কিন্তু একটি ভুল প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই দায়িত্ব ঢাকা ওয়াসাকে দেওয়া হয়।

বর্ষায় সামান্য বৃষ্টিতে পুরো নগরী বৃষ্টিতে ডুবে থাকে, তাই সংস্থাটি এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়ে এখন সিটি করপোরেশনকে দিতে চায় কি-না, গণমাধ্যম কর্মীদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা ওয়াসার দায়িত্ব নয়। আমাদের সব টেকনিক্যাল সাপোর্ট আমরা সিটি করপোরেশনকে দিয়ে দেবো। আইন অনুযায়ী এই দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের। বিষয়টি অনুধাবন করার পর ২০১২ সালে আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে জানাই।

তখন মন্ত্রণালয় একটি কমিটি গঠন করে দেয়। কিন্তু সেই কমিটির রেজাল্ট আলোর মুখ দেখেনি। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে আরও একটি কমিটি গঠন করা হয়। ২০১৬ সালে মেয়র আনিসুল হক আমাদের সঙ্গে একমত হয়ে এই দায়িত্ব তিনি নিতে চেয়েছিলেন।

ওয়াসার মালিকানাধীন খালের পর এবার বৃষ্টির পানিও নিষ্কাশনের দায়িত্ব ঢাকা সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করতে চায় সংস্থাটি। এতে সংস্থাটির অর্ধেকের চেয়ে কাজ কমে গেছে। এ অবস্থায় ঢাকা ওয়াসা সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণে যেতে চায় কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা মন্ত্রণালয়ও বলতে পারবে না।

তারই পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা সিটি করপোরেশনেরর দুই মেয়র দায়িত্ব গ্রহনের পর তাদেরকে নিয়ে মন্ত্রী গত ২৬ নভেম্বর একটি পরামর্শ সভা করেন এবং সিদ্ধান্তে আসেন যে, ঢাকা শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা দুই সিটি করপোরেশনের নিকট ন্যস্ত হওয়া প্রয়োজন। এরই ধারাবাহিকতায়, গত ৩১ ডিসেম্বর বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের দায়িত্ব ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নিকট হস্তান্তর একটি সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে করা হয়।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ওয়াসার প্রকৌশল বিভাগের পরিচালক শহিদুল ইসলামষহ ওয়াসার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

পুরাতন সংবাদ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  

http://www.bdallbanglanewspaper.com/

আজকের দিন-তারিখ

  • মঙ্গলবার (সন্ধ্যা ৭:৪৮)
  • ২রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ১৮ই রজব, ১৪৪২ হিজরি
  • ১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (বসন্তকাল)

২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।

 
সাইট ডিজাইন এস.এম.সাগর-01867-010788