1. bdfocas24@gmail.com : newsroom :
  2. arifahok27@gmail.com : Alifa hok : Alifa hok
  3. newsgopalpur@gmail.com : Rokon zzaman : Rokon zzaman
  4. akmpalash75@gmail.com : Shamsuzzoha Palash : Shamsuzzoha Palash
টিকেটিং এজেন্সি টুয়েন্টিফোর টিকেটি ডটকমের পরিচালক গ্রেপ্তার - www.bdfocas24.com
রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৬:০৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো সারাদেশে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম মহাসড়কের অন্তত ১৫ কিলোমিটার তীব্র যানজট টিকেটিং এজেন্সি টুয়েন্টিফোর টিকেটি ডটকমের পরিচালক গ্রেপ্তার মালিকানা নিলেও, নগদের বড় অংকের ঋণের দায়ভার নেবে না ডাক বিভাগ চুয়াডাঙ্গায় একদিনে ছয় ওসির রদবদল পলাশবাড়ীর কিশোরগাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রিন্টুসহ ৬ জুয়াড়িকে আটক করেছে পুলিশ পলাশবাড়ীতে সড়কের পাশে ড্রেন নির্মাণে বৈষম্যের স্বীকার হয়ে অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ী নিঃস্ব জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর সাথে সৌজন্যে সাক্ষাৎ করলেন মেহেরপুর সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোমিনুল ইসলাম পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের নির্দেশে অচল বৃদ্ধের বয়স্ক ভাতার টাকা উদ্ধার পুলিশ সুপারের মধ্যস্থতায় অবুঝ শিশুকন্যা নুসরাত ফিরে পেলো তার বাবা-মাকে

টিকেটিং এজেন্সি টুয়েন্টিফোর টিকেটি ডটকমের পরিচালক গ্রেপ্তার

বিডি ফোকাস ডেক্স :
  • আপডেট টাইম: বুধবার, ৬ অক্টোবর, ২০২১
  • ৯২ বার দেখা

অনলাইনি টিকেটিং এজেন্সিটুয়েন্টিফোর টিকেটি ডটকমেরবিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক রাকিবুল হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)

মুসা মিয়া সাগর নামে এক ভুক্তভোগীর করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় তাকে চুয়াডাঙ্গা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আজাদ রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার আসামিরা হলেন- ‘টুয়েন্টিফোর টিকেটি ডটকমে’র মালিক মো. আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক সিইও প্রদ্যোত বরণ চৌধুরী, পরিচালক মো. রাকিবুল হাসান, মো. আসাদুল ইসলাম, এম. মিজানুর রহমান সোহেল এবং রাজ্জাকের বোন মোসা. নাসরিন সুলতানা। এছাড়া মামলায় আরও ১০-১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

মামলায় অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা ফেসবুক ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

এর আগে ‘টুয়েন্টিফোর টিকেটি ডটকমে’র বিরুদ্ধে ২০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। চলতি বছরের মে মাসে উধাও হয়ে যায় প্রতিষ্ঠানটি। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে অনলাইন ভিত্তিক আর্থিক লেনদেন তাৎপর্য বৃদ্ধি পেয়েছে। মানুষের জীবন যাত্রার মান বৃদ্ধি, ব্যাংকিং খাতে অনলাইন পেমেন্টের সুবিধা, টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ অবকাঠামোগত সুবিধা বৃদ্ধির সুযোগে ব্যাঙের ছাতার মতো ই-কমার্স ভিত্তিক  অসংখ্য প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।

এর মধ্যে ইভ্যালি, ধামাকা, আলেশা মার্ট, কিউকম, দালাল, ইঅরেঞ্জ, আলাদিনের প্রদীপ, দারাজ, ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
গত কয়েক বছরে এসব প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কার্যকর নজরদারির অভাবের সুযোগে গ্রাহক আকর্ষণে বিভিন্ন অনৈতিক অফার, ডিসকাউন্ট নামে গ্রাহকদের প্রলুব্ধ করে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে। এরমধ্যে ইভ্যালি, ধামাকা, কিউকম, দালাল, ইঅরেঞ্জ ইত্যাদি বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের অনেক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার হয়েছেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।

সাইট ডিজাইন এস.এম.সাগর-01867-010788